মিনি সমুদ্র গাদিয়াড়ায় উইক এন্ড

যে কোনও সপ্তাহের শেষে ফোর্ট মর্নিংটন অর্থাৎ ক্লাইভের দুর্গে চলুন। তবে দুর্গটি পরিত্যক্ত হয় উত্তরকালে, আর বিধ্বস্ত হয় ১৯৪২ সালের ভয়াবহ বন্যায়। ভাটার কালে ট্যুরিস্ট লজের সামনে ধ্বংসস্তূপ আজও দেখে নেওয়া যায়। কলকাতার কাছাকাছি হাওড়া জেলার হুগলী নদীর তীরে মনোরম পর্যটন কেন্দ্র গাদিয়াড়া। গঙ্গা অর্থাৎ হুগলী নদীর ব্যাপ্তি যথেষ্ট গাদিয়াড়ায়। রূপনারায়ণ নদও এসে মিলেছে হুগলী
Complete Reading

মায়ায় ঘেরা সবুজ দ্বীপে উইক এন্ডে

হুগলি জেলা পরিষদ ও মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে কলকাতা থেকে ৭৫ কিলোমিটার দূরে ১৯৯৩ সালে গড়ে উঠেছে মায়ায় ঘেরা স্বপ্নময় সবুজ দ্বীপ। বেহুলা ও হুগলি নদীর সংযোগস্থলে চর জেগে রূপ নিয়েছে ২ কিলোমিটার দীর্ঘ, ৪০ ফুট প্রশস্ত, ১৮০ বিঘা জুড়ে ঝাউ, আকাশমনি, পাম, ইউক্যালিপটাস, অর্জুন, শাল, সেগুন, মেহগনি, সুপারি, নারকেল ও দেবদারুর সবুজে ছাওয়া দ্বীপের নাম
Complete Reading

শীতের মিঠে রোদে বকখালি

সবুজে ঘেরা ঝাউবন আর নীল আকাশ মাথায় নিয়ে বঙ্গোপসাগরের বুকে পশ্চিমবঙ্গের যমজ সী বিচ- বকখালি ও ফ্রেজারগঞ্জ। এখানকার মিঠে রোদ যেন সোনালি পাতে মোড়া। এর শান্ত-স্নিগ্ধ-সুমধুর পরিবেশ সমুদ্র বিলাসীদের পুলকিত করে। সারাবছর যাত্রী এলেও অক্টোবর থেকে মার্চ মাস বকখালি ও ফ্রেজারগঞ্জ যাওয়ার জন্য আদর্শ সময়। সপ্তাহের শেষে ছুটি কাটাবার এ এক আদর্শ জায়গা। মকরবাহিনী গঙ্গা,
Complete Reading

ভ্রমণ কাহিনীঃ প্রকৃতির কোলে দু দিন

অর্ণব, ধানবাদ (ঝাড়খন্ড ) – আমার বড় মেয়ের জিদের কাছে অবশেষে হার মেনে ঠিক হলো রাঁচী যাবো দিন দুয়েকের জন্য, কিন্তু রাঁচী গিয়ে করবো কি সে বিষয়ে প্রথম থেকেই মনটা খুব খুঁতখুত করছিল । ওকে অনেক বোঝাবার চেষ্টা করেছিলাম যে দীঘা বা মন্দারমনি অনেক ভালো জায়গা, ওখানে সমুদ্র আছে আর সে তুলনায় রাঁচীতে বিশেষ কিছুই
Complete Reading

উইকএন্ডে মুকুটমণিপুর

পর্যটন মানচিত্রের সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছে মুকুটমণিপুর। জ্যোৎস্নার সময় এখানে এসে রাত কাটালে স্বর্গসুখের স্বাদ মেলে। ১০০৯৮ মিটার দীর্ঘ ও ৩৮ মিটার উঁচু বাঁধ তৈরী হয়েছে কংসাবতী অর্থাৎ কাঁসাই নদীতে। যার ফলে নিয়ন্ত্রনে এসেছে কুমারী ও কংসাবতী নদী। ৮৬ বর্গ কিলোমিটার জলাধার তৈরী হয়েছে কুমারী ও কংসাবতীর সলিলে। নীল জলে ছোট ঢেউ, স্লুইস গেটের ছাড়া জলে
Complete Reading

সপ্তাহ শেষে তারাপীঠে

বীরভূম জেলার রামপুরহাট থানার অন্তর্গত দ্বারকা নদীর পূর্ব পাড়ে অতীতের চন্ডীপুর আজ তারাপীঠে পরিনত হয়েছে। তবে আগেকার শিমূল গাছ আজ আর নেই। নেই খরস্রোতা দ্বারকা নদীটিও। বর্তমানে মহাশ্মশানের ভয়াবহতাও অনেকটাই কমে গিয়েছে। তবে প্রাচীন কালের মতো আজও দেবীর মাহাত্ম্য অমলিন। তারা মায়ের প্রাচীন মন্দিরটি ধ্বংস হওয়ার পর ১২২৫ বঙ্গাব্দে মল্লারপুরের বাসিন্দা জগন্নাথ রায় আটচালা ইট
Complete Reading

নতুন বছরের ডেস্টিনেশন কালনা

গঙ্গার এক পাড়ে কালনা আর অন্য পাড়ে শান্তিপুর। বৈষ্ণব ও শাক্তধর্মীদের তীর্থস্থান কালনা অর্থাৎ অম্বিকা কালনা। দার্জিলিং পাহাড় সূচনার আগে বন্দরনগরী কালনায় বর্ধমানরাজদের বসবাসও ছিল। কিছুটা দূরেই মনোহর বাগিচায় ঘেরা সাধক ভবা পাগলা তথা ভবেন্দ্রমোহন চৌধুরীর আরাধ্যা দেবী ভবানীর পঞ্চাশ দশকের ছোট্ট মন্দিরে বিশেষ পুজো হয় বৈশাখ মাসের শেষ শনিবার। নিজের হাতের নানা সূচীশিল্প ও
Complete Reading

উইক এন্ডে বর্ধমান

দামোদর নদের তীরে বর্ধমান শহর। জৈন তীর্থঙ্কর বর্ধমান মহাবীর বর্ধমানে প্রথম এসে ধর্ম প্রচার করেন। সেই থেকে তীর্থঙ্করের নামে জায়গার নাম হয়ে ওঠে বর্ধমান। তবে, আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণের সময় পার্থেনিসই নাকি আজকের বর্ধমান। আর আইন-ই-আকবরিতে মোঘল কালে বর্ধমান ছিল শরিফাবাদ। ১৫৬৭ সালে আধুনিকতার গোড়াপত্তন হয় সুলেমান কররানীর হাত ধরে। তৈরী করা হয় দুর্গ। আর ১৭
Complete Reading

বছরের শেষে মন্দারমনি বিচে

দীঘা থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে চাউলখোলায় পৌঁছে কেয়া ও ঝাউবনের মাঝখান দিয়ে ১০ কিলোমিটার অনাবিল গ্রাম্য প্রকৃতি ছুঁয়ে কালিন্দী, দাদনপত্রবাড় হয়ে পৌঁছে যেতে পারেন মন্দারমনির সমুদ্র সৈকতে। বেলাভূমি ধরে জোয়ার ভাঁটার অভিরুচি মানার দিন এখন আর নেই। সোজা বীচের উত্তরদিক ধরে সমান্তরাল রাস্তা দিয়ে গাড়ি নিয়ে পৌঁছে যেতে পারেন মন্দারমনির হোটেলে। দীঘা থেকে মারুতি অথবা
Complete Reading

বছর শেষে ব্যান্ডেলে

ভ্রমন মানচিত্রে ব্যান্ডেলের আকর্ষনীয়তা আজ তুঙ্গে। পর্তুগিজশব্দ বন্দর থেকেই কালক্রমে জায়গার নাম হয়েছে ব্যান্ডেল। ১৫৩৭ সালে নবাবকে সাহায্যের বিনিময়ে কারখানা গড়ার অনুমতি পায় পর্তুগিজ অ্যাডমিরাল সাম্পাইও। ব্যান্ডেলকে ঘিরে গড়ে ওঠে ফ্যাক্টরির সঙ্গে পর্তুগিজ কলোনিও। তাদেরই তৈরী চার্চ ও মনাস্ট্রি পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ। ১৫৭৯ সালে হুগলী নদীর তিরে বন্দরের পত্তন করে পর্তুগিজরা। আর ১৫৯৯ সালে তৈরী
Complete Reading

সৈকত সুন্দরীর ভোলবদল; নবরূপে বাংলার সৈকত শহর দীঘা

বাংলা ও বাংলাবাসীর গর্বের দীঘা আজ দেশের অন্যতম পর্যটনবান্ধব সৈকত শহর হিসেবে গড়ে উঠেছে। ওল্ড দীঘা থেকে নিউ দীঘা পর্যন্ত পেভার ব্লকে সজ্জিত ঝা চকচকে রাস্তা সমুদ্রকে পাশে রেখে যা এখন উদয়পুর পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়েছে, পুরো রাস্তার পাশে ডাস্টবিন, আধুনিক আলোক স্তম্ভ। প্রতিটি আলোক স্তম্ভে সকালবেলা এবং সন্ধ্যেবেলায় বাংলা গান পর্যটকদের দীঘা ভ্রমনের অভিজ্ঞতাকে অনেক
Complete Reading

বড়দিনের ছুটিতে জুনপুট ও বাঁকিপুট

দীঘা যাত্রীদের কাছে আরও এক সমুদ্র সৈকত জুনপুটের আকর্ষণও অনস্বীকার্য। দীঘার নবজন্মের আগে পশ্চিমবঙ্গের সৈকতনগরী খুঁজে পেতে যখন জল্পনা কল্পনা চলছে, তখন থেকেই দীঘার পাশে প্রতিদ্বন্দ্বী জুনপুটের প্রতি রায় ছিল বহুজনের। তবে ভাটার কালে জল সরে যাওয়ায় ভেটো পড়ে জুনপুটে। দিনে দিনে সামুদ্রিক মাছের উপনিবেশ গড়ে উঠেছে জুনপুটে। মিষ্টি জলের পুকুর ও মাছ নিয়ে এখানে
Complete Reading

Create Account



Log In Your Account



Translate »
  • স্বাগত ২০১৮, সকলকে রোজদিন জানায় ইংরেজী নববর্ষের শুভকামনা। সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন সকলে। আর থাকুন রোজদিনের সঙ্গে।
  • দেখতে থাকুন রোজদিন। আপনার দিন। আমার দিন।
  • ২৪ ঘন্টার সাংবাদিক অঞ্জন রায় আক্রান্ত বলে অভিযোগ
  • আগামীকাল বেলা ১২টা থেকে বিকাল ৪টে পর্যন্ত টেকনিক্যাল কারণে রোজদিন বন্ধ থাকবে।
  • আশা রাখি রোজদিনের সকল পাঠকগণ আমাদের সাথে থাকবেন।
toggle