খেয়াল রেখো

আর্যতীর্থঃ তোমাদের বড্ড তাড়া, চট করে আখের গোছাও এইতো গাড়লে শিকড়, এখনই ডালপালা চাও। জীবনের বেশী কাটে, পাতা কটা হলো গুনে শেষে তো কাঠ হয়ে ভাই, জ্বালানি সেই উনুনে। তার চেয়ে রোজ খেয়ে নিই, আলোহাওয়া দানাপানি কাঠুরে আসবে যখন, কি হবে তা তো জানি। তাই বসে গুনবো পাতা, এত বোকা নই তো আমি কে জানে
Complete Reading

কবিতাঃ কি দেবো তোমায়?

সুপর্না দোলুইঃ স্মৃ্তি হয়ে গেছে শৈশবটা আজ হারিয়েছে সে সময় খুঁজতে গেলে তা শুধু চোখে ভাসে, আজ কেন এতো বিস্ময়? জীবনটা কেনো এতো দ্রুত বেগে ছোটে ফেরে না কেন সে ফেলে আসা তটে? অনেক কিছুই তো মন ফিরে পেতে চায় সুযোগ পেলেই ভুল শুধরায়, ক্লান্ত যে আজ পথিক জীবন হারিয়েছে প্রান,হারিয়েছে মন, কেউ যদি তাকে
Complete Reading

গল্পঃপানিশমেন্ট

অংশু প্রতিম দেঃ -“আমার ফিরতে দেরী হবে আজ। তোমরা খেয়ে নিও” অফিসে বেরোচ্ছে শেখর। -“কোথায় যেন প্রোগ্রাম তোমাদের?” রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে এসেছে মেঘা। কপালে, গালে ঘাম। ফর্সা মুখটায় লালচে আভা। মেঘার এই রূপটা একটুক্ষণ তাকিয়ে দেখল শেখর। একটা ভাললাগা ছড়ায় ওর মধ্যে। -“অমিতের ফ্ল্যাটে। একেবারে ডিনার করেই ফিরব।” -“পানাহার। তাই তো! ড্রিংক্সের কথাটা বাদ দিচ্ছ
Complete Reading

কবিতাঃ ব্রেকিং নিউজ

মৃগাঙ্ক চক্রবর্তীঃ একদিন বিস্ফোরণে, যদি থেমে যায় গলির শিশুর ঘ্যানঘেনে কান্না, যদি রাতের কালো দাগগুলো ঢেকে দেয় কাঁচা রক্তের আহুতি, বিটনুন ছড়ানো ঘায়ে যদি জন্ম নেয় নিষিদ্ধ ছত্রাক, শরীরটা যদি ছিঁড়ে টুকরো টুকরো হয়ে যায়- পুরনো খাতার ঘুন ধরা পাতার মতো, ভয় পেয়ো না। আমরা হাঁটবো মোমবাতি হাতে- সারিবেধে, রাস্তাটার কানে ফিসফিস করে বলবো- মানছি
Complete Reading

কবিতাঃ গ্রাম গিয়েছে চুরি

রমলা মুখার্জীঃ এলাম এবার অনেক দিনের পর খরের চালে নেই কো মাটির ঘর। ঝাঁ চকচকে নিকানো নেই দাওয়া হারিয়ে গেছে হাসনুহানার হাওয়া…. ধান শুকাতো সারা উঠান জুড়ে তালের সারি পদ্মদিঘির ধারে। বট গাছটা কোথায় গেল তবে? বামন হয়েছে সাজানো বাহারি টবে। দাওয়ায় পেতে মস্ত শেতল-পাটি গোল হয়ে পড়া, মাঝে একটাই বাতি। কত কথাই পড়ছে মনে
Complete Reading

অনুগল্পঃ অশ্রু

রাজিত বন্দোপাধ্যায়: ছোটু মাহাতোর চোখের সামনে থেকে চিতার ধোঁয়া এখনও সরেনি । কানে ভেসে আসছে দাওয়ার এক কোনে দাঁড়ানো বৌদির চিল চিৎকার — উয়ায় ডাইন আছে , আমার ছালারে খাইলো । ইখন আমার পেটটার দিকে লজর দিইছে । জৈষ্ঠের কাঠফাটা রোদের উজ্জ্বল আলোয় প্রতিবাদ বুড়ি মায়ের ঘরের দিকে যাবার চেষ্টা করতেই দাদা বিরজা মাহাতোর হাড়িয়া
Complete Reading

রম্য রচনাঃ বারের রাজা

অনুপ বৈরাগী: কবি বলেছেন “বারের রাজা রবিবার … যা খুশি করিবার”। কথাটা হুবহু মিলে গেছে। তবে আমার ক্ষেত্রে নয়। আমার চারপাশে রাজা রাজড়াদের ক্ষেত্রে । যা খুশি চাইলেই করতে পারাটা আমার ডালভাতের থালায় মাটন বিরিয়ানির আদিখ্যেতার মতো। তাই “যাহা ছিলো করিবার” তাহা করিতে করিতে আরপাঁচটা দিনের মতো রবিবারটাও গত হইবেন ইহা নতুন নহে। ফি বছর
Complete Reading

কবিতাঃ আগুন আনো

রমলা মুখার্জী: প্রদীপে তেল ঢালো… আগুনই আনে অন্ধ মনে রঙ-মশালের আলো। অবচেতনে আগুন আছে ভিসুভিয়াস হয়ে, চকমকিটা ঠোক্ না কেন জবর জোর দিয়ে। নেতিয়ে ন্যাতা পায়ের তলায় স্যাঁতস্যাঁতিয়ে গেলি, চেতনে আয় চেরাগ জ্বেলে আগুন নিয়ে খেলি। আগুন খুঁজিস আকাশ পাতাল মন-গহনে খোঁজ…. সাত-পাঁচের মিথ্যে প্যাঁচে ভরাস না মগজ। কালো ধোঁয়া কেবল জমে আগুন কোথাও নেই,
Complete Reading

কবিতাঃ আমি টিপু সুলতান বলছি

নিজামউদ্দিন মোল্লা: আমার তলোয়ার আজ শুকিয়ে গেছে, সে ইংরেজ রক্তের পিপাসায় আজ গর্জে উঠছে খিদের জ্বালায়। সে খবর পেয়েছে দেশদ্রোহী আবাদি হয়েছে তাই সে আজ নতুন সাজে সজ্জিত হয়েছে। হ্যাঁ আমি তিতুমীর বলছি, আমার তলোয়ারের কান্না শুনছ কি! ভারতবর্ষের কোটি কোটি মানুষের চোখের জল দিয়ে এই তলোয়ার ধুই, ইংরেজ বজ্জাতি রক্ত ভারতবাসীর সেই চোখের জল
Complete Reading

কবিতা: পুতুল পুতুল প্রেম

শীবু শীল শুভ্র: দুজনে বসে কলেজের প্রাঙ্গণে গল্পে ব্যস্ত জীবনের গল্পে মিশে একাকার, সবাই তা দেখতো! নরম ঘাসের উপর রোদের ঝিলিক স্বাক্ষী ভালো-বাসা সীমাহীন অবুঝ মন যন্ত্রণায় অপদস্থ। তোমার আস্কারায় স্বপ্নে বিভোর জীবনের গল্পের বই-পড়তেছি “কুড়িয়ে পাওয়া নূপুর ” হাত ধরে কাছাকাছি হেঁটেছিলাম, কত যে সকাল- দুপুর মনের সাথে মন মিলে গেছে অরণ্য-রাজরাণীর। দুজনের অল্পতে
Complete Reading

গল্পঃ পটলার বায়োস্কোপ

রাজকুমার ঘোষঃ পটলা অজ পাড়া-গায়ের ভীষণ গরীব পরিবারের ছেলে। ধোপার কাজ করে ওদের সংসার খুব কষ্টে চলত। ওদের পরিবার তথা গোটা পাড়ার মূল উপার্জন ধোপার কাজের উপরই নির্ভর করত। চার পুরুষ ধরে ওদের পারিবারিক কাজ এখন সেভাবে আর হয়না। তারপর ওই একমাত্র ছেলে, দুই দিদির সাথে দুই বোনও আছে। সংসারের হাল ধরতে ওকে শহরে চলে
Complete Reading

বিয়োগ

আর্যতীর্থঃ বাইরে থেকে ডাক দিলি তুই অনির্বাণ! ‘ খেলতে যাবি?’ দুপুর সবে শেষ, মাঠের ঘাসের তপ্ত ধুধু ঠাণ্ডা হওয়া বাকি, মায়ের সবে জুড়ালো চোখ কিছুক্ষণের মতো, এমন সময় বেআক্কেলে বেতড়িপদ ছেলে, বলবগলে আমায় ডাকিস খেলতে যাবি নাকি? আমার তখন শ্যাম আর কুলের মাঝামাঝি হাল, ক্লাসে আমার রোল নাম্বার তিন( দুই হতে হতে) এবং সেটা রাখতে
Complete Reading

Create Account



Log In Your Account



Translate »
  • স্বাগত ২০১৮, সকলকে রোজদিন জানায় ইংরেজী নববর্ষের শুভকামনা। সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন সকলে। আর থাকুন রোজদিনের সঙ্গে।
  • দেখতে থাকুন রোজদিন। আপনার দিন। আমার দিন।
  • ২৪ ঘন্টার সাংবাদিক অঞ্জন রায় আক্রান্ত বলে অভিযোগ
  • আগামীকাল বেলা ১২টা থেকে বিকাল ৪টে পর্যন্ত টেকনিক্যাল কারণে রোজদিন বন্ধ থাকবে।
  • আশা রাখি রোজদিনের সকল পাঠকগণ আমাদের সাথে থাকবেন।
toggle